ফেনীতে ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে যুবলীগ কর্মী খুন
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৭-০৬-২০২৬ ০৪:০৭:৩৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৭-০৬-২০২৬ ০৪:০৭:৩৭ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়ন থেকে জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে ওই ইউনিয়নের নুর আহাম্মদ মাস্টার বাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, স্থানীয় দোকান নিয়ে বিরোধের জের ধরে পারভেজকে কুপিয়ে খুন করেছে ছাত্রলীগ কর্মী মামুন ও শাহাদাত।
পুলিশ, এলাকাবাসী ও স্থানীয়রা জানায়, গণঅভ্যুত্থানের পর ডজনখানেক মামলায় পারভেজ ও মামুন দীর্ঘদিন ফেনীতে হাজতবাস করে। ওই সময়ে আদালতের নানা ধরনের ফি এর ব্যয় পারভেজ বহন করলেও মামুন কোন টাকা দেয়নি। দুইজন হাজতবাস থেকে মুক্তির পর স্থানীয় দোকান নিয়ে বিরোধ ঘনীভুত হয়ে ওঠে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে যোবায়ের মামুনকে হাতে থাকা লাইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। বিষয়টি রাতেই বাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে সুরাহা করে দেয়।
নিহতের বাবা আবু তাহের জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সর্বশেষ তিনি ছেলে জোবায়ের হোসেন পারভেজকে দেখেন। শনিবার সকালে নিজ বাড়ির সামনে তার গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুনের সঙ্গে দোকান সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সম্প্রতি পারভেজের ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়েছিল। ওই বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।
ছাগলনাইয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের জানান, নিহত পারভেজ ও অভিযুক্ত মামুন এবং শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা জেলপার্টনার ছিলো। জামিনে বের হয়ে আসার পর উভয়ের মাঝে বিরোধ বেড়েছে। ওই বিরোধের জের ধরেই হত্যাকান্ডটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবং নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশিরা এমনটাই দাবি করছে৷ মরদেহটি উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স